কোন বিষয়টি মুদ্রাপাচারের অন্তর্ভুক্ত নয়?
আয়কর ফাঁকি দেওয়া একটি আর্থিক অপরাধ হলেও এটি সরাসরি মুদ্রাপাচারের সংজ্ঞায় পড়ে না। মুদ্রাপাচার (Money Laundering) হলো অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থকে বৈধ করার প্রক্রিয়া। রপ্তানি পণ্যের অবমূল্যায়ন, আমদানি পণ্যের অধিক মূল্য নির্ধারণ এবং অবৈধ চ্যানেলে বিদেশে টাকা পাঠানো - এই সবই মুদ্রাপাচারের বিভিন্ন কৌশল।
- মুদ্রাপাচার: এটি মূলত তিনটি ধাপে সম্পন্ন হয়: প্লেসমেন্ট (অবৈধ অর্থকে আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশ করানো), লেয়ারিং (অর্থের উৎস লুকানোর জন্য জটিল লেনদেন), এবং ইন্টিগ্রেশন (অর্থকে বৈধ আর্থিক ব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনা)।
- আয়কর ফাঁকি (Tax Evasion): এটি আইন ভঙ্গ করে কর পরিশোধ না করা। এটি একটি গুরুতর অপরাধ, তবে এর উদ্দেশ্য অবৈধ অর্থকে বৈধ করা নয়, বরং করের বোঝা এড়ানো।
- মুদ্রাপাচার প্রতিরোধে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন FATF (Financial Action Task Force) কাজ করে। বাংলাদেশেও মুদ্রাপাচার প্রতিরোধ আইন রয়েছে।