লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির সম্পর্কে কোন্ বিবৃতিটি মিথ্যা?

অপশনসমূহ
সঠিক উত্তর চিহ্নিত
Ni-Cd ব্যাটারির তুলনায় এদের শক্তির ঘনত্ব বেশি
এতে লিথিয়াম কোবাল্ট অক্সাইড ক্যাথোড ব্যবহার করা হয়
'মেমরি এফেক্ট'-এর কারণে এদের পর্যায়ক্রমিক সম্পূর্ণ ডিসচার্জের প্রয়োজন হয়
এখানে অতিরিক্ত চার্জিং-এর ফলে আগুন লাগতে পারে
🏛️ বিগত পরীক্ষার রেকর্ড:
ডানে সোয়াইপ করুন →
💡
ব্যাখ্যা ও সমাধান

লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির একটি বড় অসুবিধা হলো 'মেমরি এফেক্ট' (Memory Effect) না থাকা। এর মানে হলো, এদের সম্পূর্ণ ডিসচার্জ করার প্রয়োজন হয় না। Ni-Cd (নিকেল-ক্যাডমিয়াম) ব্যাটারিতে এই 'মেমরি এফেক্ট' দেখা যায়, যেখানে ব্যাটারি সম্পূর্ণ ডিসচার্জ না করে বারবার চার্জ দিলে এর ধারণক্ষমতা কমে যায়। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি এই সমস্যা থেকে মুক্ত। তবে, অতিরিক্ত চার্জিং বা অতিরিক্ত ডিসচার্জিং এদের ক্ষতি করতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে আগুন লাগার ঝুঁকিও থাকে।

📌
পরীক্ষার বিশেষ নোট ও প্রেক্ষাপট:

লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি (Lithium-ion Battery) বর্তমানে স্মার্টফোন, ল্যাপটপ এবং ইলেকট্রিক গাড়ির মতো অনেক ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়। এর প্রধান সুবিধা হলো উচ্চ শক্তির ঘনত্ব (High energy density), অর্থাৎ ওজনে হালকা এবং আকারে ছোট হলেও বেশি শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। ক্যাথোড হিসেবে লিথিয়াম কোবাল্ট অক্সাইড (LiCoO2) বহুল ব্যবহৃত হয়। 'মেমরি এফেক্ট' হলো একটি সমস্যা যা মূলত পুরানো Ni-Cd এবং Ni-MH ব্যাটারিতে দেখা যেত। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির ক্ষেত্রে, সম্পূর্ণ ডিসচার্জের প্রয়োজন নেই, বরং আংশিক চার্জিং ও ডিসচার্জিং এদের আয়ুষ্কাল বাড়াতে সাহায্য করে। তবে, এদের অতিরিক্ত চার্জিং বা শর্ট সার্কিট হলে লিথিয়াম আয়নের অনিয়ন্ত্রিত বিক্রিয়ার কারণে আগুন লাগার বা বিস্ফোরণের ঝুঁকি থাকে।