চাকরির পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান
বিসিএস, ব্যাংক, শিক্ষক নিয়োগ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিগত পরীক্ষার নির্ভুল সমাধান ও প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক প্রশ্ন আর্কাইভ।
বিষয় ও অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্নব্যাংক
বিষয় ও নির্দিষ্ট অধ্যায় ভিত্তিক বিগত বিসিএস, ব্যাংক ও সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান পড়ুন
নিচের কোনটি হাড়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ? [জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (ব্যক্তিগত কর্মকর্তা)]
হৃৎপিণ্ড কোন ধরনের পেশী দ্বারা গঠিত? [জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (ব্যক্তিগত কর্মকর্তা)]
ভিটামিন B12 এর রাসায়নিক নাম কি? [সহকারী উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার [ATEO]]
হৃদপিন্ডের প্রকোষ্ঠের সংখ্যা কত? [সহকারী উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার [ATEO]]
নিম্নের কোন জলজ প্রাণিটির ফুলকা নেই? [সহকারী উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার [ATEO]]
কোন ভিটামিন একটি এন্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে? [সহকারী উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার [ATEO]]
চোখের লেন্সের ধরণ কোনটি? [সহকারী উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার [ATEO]]
রক্তের তরল অংশের নাম কি? [মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ (কম্পিউটার অপারেটর)]
রক্তের প্রায় ৫৫% অংশই হলো তরল, যাকে প্লাজমা বা রক্তরস বলা হয়। এতে পানি ও বিভিন্ন দ্রবীভূত পদার্থ থাকে। বাকি ৪৫% রক্তকণিকা (লোহিত, শ্বেত ও অনুচক্রিকা)।
নাড়ীর স্পন্দর মাপা হয় কোথায়? [মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ (কম্পিউটার অপারেটর)]
হৃদপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে রক্ত যখন রক্তনালীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়, তখন প্রধানত ধমনীতে নাড়ীর স্পন্দন (Pulse) মাপা হয়।
কোলেস্টেরল এর প্রভাবে শরীরে কী প্রভাব পড়ে? [মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ (কম্পিউটার অপারেটর)]
রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল জমে রক্তনালি সংকুচিত বা অবরুদ্ধ করে দেয়, যার ফলে প্রধানত হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়ে।
কোনটির দেহে নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম নেই? [৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা]
ভাইরাসের নিজস্ব কোনো কোষীয় গঠন নেই। এদের নিউক্লিয়াস, সাইটোপ্লাজম, মাইটোকন্ড্রিয়া বা রাইবোজোম থাকে না। এরা কেবল পোষক কোষের (host cell) ভেতরেই বংশবৃদ্ধি করতে পারে। এ কারণে এদেরকে জীব ও জড়ের মধ্যবর্তী অবস্থা বলা হয়।
'কোভিড-১৯'-এর জন্য তৈরি টিকা কীভাবে কাজ করে? [৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা]
কোভিড-১৯ এর জন্য তৈরি mRNA টিকাগুলি (যেমন Pfizer-BioNTech এবং Moderna) হোস্ট কোষে (Host cell) একটি নির্দিষ্ট ভাইরাল প্রোটিন (স্পাইক প্রোটিন) তৈরির জন্য জেনেটিক নির্দেশনা (mRNA) সরবরাহ করে। এই mRNA হোস্ট কোষের রাইবোসোম (Ribosome) ব্যবহার করে স্পাইক প্রোটিন তৈরি করে। এরপর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এই স্পাইক প্রোটিনকে একটি বহিরাগত পদার্থ হিসেবে শনাক্ত করে এবং এর বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি (Antibody) তৈরি করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। ফলে, পরবর্তীতে আসল ভাইরাসের সংস্পর্শে এলে শরীর দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।